echo '' ;

ওয়াই-ফাই হ্যাকিং করতে চান!!

আচ্ছা, কেমন হয় যদি আপনি একটি ফ্রি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন আপনার ফোনে। দারুন হয় তাইনা !!

ইন্টারনেটের এ যুগে কেইনা চায় ওয়াইফাই হ্যাকিং করা শিখে নিতে। কিন্তু আদৌ কি হ্যাকিং করা সম্ভব !! প্রতিবেশীর বাড়ির ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করে ফ্রি নেট চালানো গেলে তো ভারী খুশি লাগবে। এখন আসি ওয়াইফাই হ্যাকিং করা যায় কিনা এ প্রসঙ্গে,

জি হ্যা,ওয়াইফাই হ্যাকিং করা সম্ভব। কিন্তু এডভান্স লেভেলের হ্যাকার হওয়া ছাড়া ওয়াইফাই হ্যাকিং করা পসিবল না। একজন এক্সপার্ট হ্যাকারই কেবল তার বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে ওয়াইফাই হ্যাকিং করতে পারবে। আপনি যদি একজন এক্সপার্ট হ্যাকার হন তবেই আপনি পারবেন প্রতিবেশীর বাসার ওয়াইফাই হ্যাক করে নিতে তবে সেক্ষেত্রেও কিন্তু অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।

কিন্তু আপনি এখন বলতেই পারেন আমার অমুক ফ্রেন্ড তো ওয়াইফাই হ্যাকিং করে ফেলেছে পাচ মিনিটের মাঝে । ওর তো কোনো হ্যাকিং স্কিল নাই তবে সে কিভাবে ওয়াইফাই হ্যাকিং করে নিলো।এটা কেন হয় , কখন হয় সেটা আমি আপনাকে বলছি ।তার আগে আপনাকে আমি ওয়াইফাই সিকিউরিটি সম্পর্কে কিছু বলে নিই।

ওয়াইফাই প্রাথমিকভাবে যে সিকিউরিটিটা ছিল সেতা ছিল WEP বা Wired Equivalent Privacy যা একটি সিকিউরিটি প্রোটোকল। এটা অনেকটা দুর্বল সিকিউরিটি প্রটোকল যা অত্যন্ত ব্যাকডেটেড ছিল এ কারণে ওয়াইফাই পাচ মিনিটের মাঝেই হ্যাক করা সম্ভব হয়ে যেতো।

কিন্তু তারপর প্রটোকল আপডেট হয়ে WAP বা Wireless Application Protocol নামের সিকিউরিটি প্রটোকল দেয়া হলো  এবং পরবর্তীতে WAP2 নামে আরেকটি এনক্রিপটেড প্রটোকল দেয়া হলো যে কারণে এখন কিন্তু আর কোনো সফটওয়্যার দিয়ে ওয়াইফাই হ্যাকিং করা সম্ভব না।তারপরও যদি আপনি পাসওয়ার্ড পান তবে সেটা ইনক্রিপটেড থাকবে এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য আপনার বছরের পর বছর সময় পেরিয়ে যাবে।

তাহলে কিভাবে আপনার বন্ধু ওয়াইফাই হ্যাক করলো!! আপনার বন্ধু যেটা করেছে সেটা হলো সে ভিকটিমের রাউটারের একটি ত্রুটি বা দুর্বলতা খুজে বের করেছে।রাউটারের একটা দুর্বলতা হচ্ছে WPS । এটা হচ্ছে একটা সাপ্লিমেন্টারী কি যা প্রত্যেক রাউটারে এনাবল করা থাকে।এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ধরুন আপনি আপনার কোনো ফ্রেন্ডকে রাউটারে কানেক্ট করতে চাচ্ছেন কিন্তু তাকে পাসওয়ার্ড দিতে চাননা।ওয়াইফাইয়ের যে প্রকৃত পাসওয়ার্ড আছে তা আপনি তাকে বলবেন না।তাহলে আপনি তাকে কিভাবে কানেক্ট করাবেন ?

এটার জন্যই হচ্ছে WPS বা Suplimentery key ,যেটা রাউটারের পেছনে লেখা থাকে এবং ঐ কি টা দিয়েই আপনি তাকে রাউটারে কানেক্ট করে দিতে পারবেন পাসওয়ার্ডটা না জানিয়ে।আবার একটা বাটন আছে দেখবেন যেতাকে WPS বাটন বলে। এ বাটনটা চেপে দিলেও টেমপোরারি আপনি কাউকে কানেক্ট করতে পারেন। এই কি টা এক থেকে সাত বা আট ডিজিটের হয়। Brute-Force  বা ডিকশনারী এটাক নামে একটা এটাক আছে যার মাধ্যমে পাসওয়ার্ড হ্যাক করা যেতে পারে।এ হ্যাকের মাধ্যমে এক থেকে সাত ডিজিটের যে সাপ্লিমেন্টারি কি আছে তার সম্ভাব্য কম্বিনেশনগুলা এক এক করে ট্রাই করবে।

তাহলে আপনি এখন চিন্তা করে দেখে নিতে পারেন এক থেকে সাত ডিজিটের কত কম্বিনেশন থাকতে পারে। কি অসম্ভব ব্যাপার না! কারন আমরা নর্মালি যে স্পিডের কম্পিউটার ব্যবহার করি তাতে যদি সব WPS KEY ট্রাই করতে শুরু করি কয়েক বছরেও সম্ভব কিনা তা আমার জানা নেই। তাহলে এভাবে তো সম্ভব না।এখন আপনার ভাগ্য যদি খুব ভালো থাকে তার সিকিউরিটি পিন যদি ছোট হয় সে যদি তাহলে Brute-Force এতাকের মাধ্যমে আপনি পেয়ে যেতে পারেন। সেটাও বলা যায়না কত সময়ের মাঝে পাবেন।পেতে পারেন আবার নাও পেতে পারেন। এখন আমি আপনাকে বলি মোবাইলে পাসওয়ার্ড হ্যাকিং করে কিভাবে

মোবাইলে হ্যাকিং করার ক্ষেত্রেও Brute-Force এটাকের মাধ্যমেই কিছু সফটওয়্যারের মাধ্যমে হ্যাকিং করার পদ্ধতি আছে যা খুবই কম ক্ষেত্রেই হ্যাকিং হয়ে থাকে যার সম্ভাবনা ৫%।

তাই এখন এটা সম্ভব নয়।যদি আমরা একশোবছর পরের কথা চিন্তা করি তখন হয়তো এটা সম্ভব হতে পারে।যেহেতু তখন আমাদের কোয়ান্টাম স্পিডের কম্পিউটার থাকবে ।তখন হয়তো এটা সম্ভব হতে পারে তার আগে পসিবল না।

You may also like...