কবিত্বের স্বার্থকতা

—নিলুফা ইয়াসমিন জিনিয়াস


কবিত্বের স্বার্থকতা বুঝি আঘাত পেলে,
সমস্ত আর্তনাদ শব্দে বেরোয়;
একেকটি বিবমিষা গোলা হয়ে।

কবিত্বের স্বার্থকতা বুঝি হাসি এলে,
সমস্ত খুশি নিক্কণ হয়ে উঠে
ঝলঝল করে উঠে অবয়ব।

কবিত্বের স্বার্থকতা বুঝি বৈরীতে 
কেঁপে উঠে বাতাস কলম ডগায়।

কবিত্বের স্বার্থকতা বিদ্রোহে
কিভাবে খড়গ নেচেছিল নজরুলের আঙুলে , মনে পড়ে?

কবিত্বের স্বার্থকতা কিশোরীর যুবাবিরহে,

বকুলের মালা গেঁথে ক্রন্দনে

আর দীর্ঘ অপেক্ষায় শব্দের অনুভবে ; কবিত্বের স্বার্থকতা।

কবিত্বে স্বার্থকতা কবিত্বে,
তারুণ্যে, যৌবনে, প্রন্বয়ে
অভিমানে আর মাতৃত্বে।

You may also like...